Wednesday, April 24, 2019

মাইক্রোটিক রাউটারে LAN এবং WAN কনফিগারেশন

আমরা আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হল মাইক্রোটিক এর WAN এবং LAN কিভাবে কনফিগারেশন করতে সেই সকল বিষয়। প্রথমে আমরা একটু বুঝার চেষ্টা করি এখানে WAN এবং LAN দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে। ধরুন আমাদে একটি ছোটখাটো অরগানাইজেশন রয়েছে এবং সেখানে কিছু কম্পিউটার, মোবাইল রয়েছে। এই কম্পিউটার এবং মোবাইল সমুহকে ইন্টারনেট কানেকশন দেওয়ার জন্য একটি লোকাল ISP এর কাছে থেকে একটি কানেকশন নিলাম। সেই সাথে এই অফিসের সকল কম্পিউটার এবং মোবাইল এর নেটওয়ার্ককে ম্যানেজমেন্ট করার জন্য একটি মাইক্রোটিক রাউটার কেনা হয়েছে। এখানে ISP থেকে যে কানেকশনটা নিয়েছি সেটাই হবে আমাদের WAN সাইট এবং আমাদের লোকালি অর্থাৎ আমাদের অফিসের যে নেটওয়ার্কটি রয়েছে সেটি হবে LAN সাইট। এখন এই মাইক্রোটিকটি কিভাবে কনফিগারেশন করব সেই বিষয়টি এখানে আলোচনা করা হবে।

যখন আমরা কোন ISP এর কাছে থেকে কোন কানেকশন নিব তখন তারা কিছু ইনফরমেশন প্রভাইড করবে। ISP যারা রয়েছে তারা আমাদের এই কানেকশন বিভিন্নভাবে দিতে পারে তারা IP Address, Subnetmask, DNS Address, Default Getway অথবা শুধু মাত্র একটি Username এবং Password এর মাধ্যমে আমাদের এই কানেকশনটি দিতে পারে। এখানে ISP আমাকে যে সকল ইনফরমেশন প্রভাইড করেছে তা হল
  • Address: 192.168.0.207/24
  • Subnet Mask: 255.255.255.0
  • Default Gateway: 192.168.0.1
  • DNS Servers: 192.168.3.1
আমরা WAN কনফিগারেশন এর জন্য এই সকল ইনফরমেশন ব্যবহার করব। ISP এর কানেকশনটি সরাসরি এসে আামাদের রাউটার এর ইথারপোর্ট “ether 1” এ লেগেছে। এবং আমাদের LAN এর ক্যাবলটি লেগেছে "ether 2" তে। ehter 2 এর মাধ্যমে আমাদের অফিসের সকল হোস্ট সমুহ ইন্টারনেট কানেকশন পেয়ে থাকবে। আমরা LAN বা লোকাল নেটওয়ার্ক এর জন্য যে নেটওয়ার্কটি ব্যবহার করব তা হল।
  • IP Address: 192.168.20.0/24
  • Subnetmask: 255.255.255.0
Wan Configuration: প্রথমে আমরা "Winbox" এর মাধ্যমে আমাদের মাইক্রোটিকটিতে লগিন করি। লগিন করার পর আমরা প্রথমে যাব IP থেকে Address এ (IP>Addrsss).


IP থেকে Address এ ক্লিক করার পর আমাদের সামনে নিচের চিত্রের মত একটি নতুন উইন্ডো আসবে সেখান থেকে “+” আইকনটিতে ক্লিক করি তাহলে আমাদের সামনে New Address নামের একটি নতুন উইন্ডো আসবে। এখানে Address এর জায়গায় ISP আমাদের যে আইপি অ্যড্রেসটি দিয়েছিল সেটি দিব ।

আমাদের আইপি অ্যাড্রেসটি হল 192.168.0.207/24 এবং ISP এর লাইন আমাদের মাইক্রোটিক এর যে পোর্ট এর সাথে কানেকডেট তা Interface থেকে সিলেক্ট করে দিব। আমাদের এখানে যেহেতু ether1 এর সাথে কানেকটেড তাই এখানে ether1 সিলেক্ট করে দিলাম। তারপর Apply দিয়ে OK Press করতে হবে।



আমরা চাইলে কমান্ড মোডে থেকেও এই কনফিার করতে পারি সেজন্য আমাদের Terminal থেকে এই কোডটি টাইপ করতে হবে। “[admin@MikroTik] > ip address add address=192.168.0.207/24 interface=ether1 disabled=no”

Lan Configuration: এর পর আমরা আবার “+” এ ক্লিক করব আমাদের LAN এর অ্যাড্রেসটি দেওয়ার জন্য। আমাদের LAN এর অ্যাড্রেসটি হল 192.168.20.1/24 এবং তা ether2 এর সাথে কানেকটেড তাই আমরা Interface থেকে ether2 সিলেক্ট করে দিব। তারপর Apply করে Ok press করব।

কমান্ড মোড “[admin@MikroTik] > ip address add address=192.168.20.0/24 interface=ether2 disabled=no”

DNS Configuration: এর পর আমাদের DNS কনফিগার করতে হবে। DNS কনফিগার করার জন্য আমরা IP থেকে DNS ক্লিক করব।


IP>DNS এ ক্লিক করলে আমাদের সামনে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো আসবে। এখানে Server এ ISP আমাদে যে DNS Address (192.168.3.1) টা দিয়েছে তা দিয়ে দিব। এবং সেই সাথে পাশে আমরা একটি Arrow আইকন দেখতে পাব সেখানে ক্লিক করলে নিচের দিকে আরো একটি ঘর বৃদ্ধি পারে সখানে Google এর যে Public DNS Address (8.8.8.8/8.8.4.4) রয়েছে তা দিয়ে দিব। তারপর Apply দিয়ে Ok করব।

কমান্ড লাইন কোড “[admin@MikroTik] > ip dns set servers=192.168.3.1”

Gateway configuration: এর পর আমরা যাব IP থেকে Routes এ ।


IP>Routes এ ক্লিক করার পর আমাদের সামনে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো আসবে। এখান থেকে আমরা “+” এ ক্লিক করব। Getway তে ISP আমাদেরে যে Default Gateway Address (192.168.0.1) দিয়েছে তা দিয়ে Apply করে Ok করব। যদি আমাদের কানেকশনটি ঠিক থাকলে তা reachable দেখাবে।

কমান্ড মোড কোড admin@MikroTik] >  ip route add gateway=192.168.0.1

NAT configuration: এখন আমাদের NAT কনফিগার করতে হবে। নাট কনিফিগার করার জন্য আমাদের IP থেকে Firewall এ যেতে হবে।

IP>Firewall এ যাওয়ার পর আমাদের সামনে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো আসবে সেখান থেকে NAT এ গিয়ে “+” এ ক্লিক করি। তারপর আমাদের সামনে New NAT Rule নামের একটি উইন্ডো আসবে। সেখানে General এ গিয়ে Chain: হবে ‍srcnst, Src. Address হবে LAN এর নেটওয়ার্ক (192.168.20.0/24) এবং Out. Interface হবে আমাদের WAN (ether1) এর ইন্টারফেস ।


এর পর যাব Action টাব এ Action সিলেক্ট করে দিব masquerade, তারপর Apply দিয়ে Ok করব।


কমান্ডমোডে ফায়ারওয়াল কনফিগার করার জন্য  টারমিণলে এই কোডটি ব্যবহার করা হয়। [admin@MikroTik] > ip firewall nat add chain=srcnat src-address=192.168.20.0/24 out-interface=ether1 action=masquerade.


এভাবে মাইক্রোটিক এ WAN এবং LAN কনফিগার করা হয়। এখন যদি আমাদের LAN এর কোন হোস্ট পিসিকে LAN এর কোন 192.168.20.0/24 এর কোন একটি আইপি অ্যাড্রেস বসাই তাহলে খুব সহজেই সে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করতে পারবে।

Monday, April 22, 2019

ভার্চুয়ালবক্সে মাইক্রোটিক রাউটার ইনস্টল করার পদ্ধতি

আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, ভার্চুয়াল বক্স এর মধ্যে কিভাবে আমরা MikroTik Router OS কে ইন্সটল করতে পারি। তার জন্য আমাদের প্রথমে ভার্চুয়াল বক্সে একটি নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে হবে। ভার্চুয়াল বক্সে কিভাবে নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে হয় তা জনার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ভার্চুয়াল বক্সে নতুন একটি মেশিন ক্রিয়েট করার পর আমাদের যে কাজটি করতে হবে তা হল। আমাদের MikroTik Router OS টা ডাউনলোড করে নিতে হবে। এটি ডাউনলোড করার জন্য Downloads এ ক্লিক করুন।

আমরা MikroTik Router OS ইন্সটল করার জন্য প্রথমে VirtualBox Software টি ওপেন করি এবং যে নতুন মেশিনট ক্রিয়েট করেছিলাম MikroTik Router OS ইন্সটল করার জন্য সেটিকে সিলেক্ট করি। Settings এ ক্লিক করি।


Settings ‍এ ক্লিক করার পর আমাদের সামনে নিচের উইন্ডোর মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এখানে লেফট সাইটে যে মেনু সমুহ দেখতে পাব সেখান থেকে System সিলেক্ট করব। সিস্টেম এ ক্লিক করলে আমার ডানদিকে Motherboard, Processor and Acceleration সমৃদ্ধ তিনটি টাব দেখতে পাব সেখান থেকে আমরা Motherboard tab টা সিলেক্ট করব। Motherboard Tab টা সিলেক্ট করে আমরা Boot Order: থেকে Optical কে রাখব প্রথমে এবং Hard Disk কে রাখবে সেকেন্ডে।

এর পর আমার যাব Storage Option এ। এখানে আমরা Empty নামের একটি Optical Drive দেখতে পাব সেটিকে সিলেক্ট করলে ডানদিকে “IDE Secondary Master” এর পাশৈ একটি Optical Disk Icon দেখতে পাব সেটিকে ক্লিক করলে Choose Virtual Optical Disk File নামে একটি অপশন দেখতে পাব সেটিতে ক্লিক করে আমরা MikroTik Router OS টা সিলেক্ট করে দিব। তার পর OK প্রেস করব।


এর পর আমরা Start Icon থেকে মেশিনটিকে Start করব।


মেশিনটিকে Start করলে আমাদের সমানে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এখানে MikroTik Router OS এ যতগিুল প্যাকেজ রয়েছে সবগুলি আপনি দেখতে পাবেন। অপনি চাইলে এখান থেকে MikroTik Router Os এর মধ্যে যত গুলি পাকেজ রয়েছে আপনি সবগুলি ইন্সটল করতে পারেন আবার আপনার ইচ্ছামত যেকোন একটি প্যাকেজ ইন্সটল করতে পারেন।


এখান থেকে সবগুলি পাকেজ সিলেকটি করার জন্য a press করতে হবে । আর যদি এখান থেকে কিছু ফাইল সিলেক্ট করতে চাই তাহলে কিবোর্ড থেকে Arrow Key এর মাধ্যমে আমরা সিলেকশনকে মুভ করতে পারি। এবং যে প্যাকেজটিকে সিলেক্ট করতে চাই সেটিকে পয়েন্ট করে Keyboard থেকে Spacebar এ ক্লিক করি তাহলে সেটি সিলেক্ট হবে। এভাবে আমরা আমাদের ইচ্ছামত যে কোন প্যাকেজটিকে সিলেক্ট করতে পারি।

এরপর ইন্সটল করার জন্য Keybord থেকে i press করি। যখন আপরি I press করবেন অপনার কাছে তখন conformation চাইবে এখন y press করুন এবং Continue করার জন্য আবার y press করুন । এবার ইন্সটলেশন শুরু হয়ে যাবে । এটি ইন্সটল হতে সর্বচ্চো এক মিনিট সময় লাগতে পারে । এর পর Enter প্রেস করুন ।

এবার আপনার পিসিটি পুনরায় Restart নিতে চাইবে। আপনি এটিকে Close এ ক্লিক করুন এবং Power Off  the machine সিলেক্ট করুন এবং Ok তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার এই মেশিনটি অফ হয়ে যাবে।

এটিকে পুনরায় Start করার পূর্বে এর Settings থেকে System এ গিয়ে Boot Order থেকে Hard Disk কে প্রথমে রাখবেন এর পর OK press করুন।


এবার মেশিনটিকে রান করুন তাহল আপনার সামনে নিচের উইন্ডোর মত একটি Login উইন্ডো আসবে। MikroTik এ Default ভাবে Username থাকে admin এবং কোন password দেওয়া থাক না। এখান আপনি admin দিয়ে সহজেই লগিন করতে পারবেন।


এভাবে আমরা খুব সহজেই VirtualBox এর মধ্যে MikroTik Router OS কে ইন্সটল করে নিতে পারি। এবং এর সাহায্যে খুব সহজেই মাইক্রোটিক এর কাজ সমুহ শিখতে পারি।

ভার্চুয়াল বক্সে, একটি নতুন ভার্চুয়াল মেশিন কিভাবে তৈরি করবেন

আমাদের আজকের বিষয় হচ্ছে, VirtualBox কিভাবে একটি নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে হয় । আমরা সাধারণ লার্নিং পারপাসের জন্য VirtualBox, VMware, HyperV এই সফটওয়্যার সমুহ ব্যবহার করে থাকি। যদিও VirtualBox, VMware, HyperV সফটওয়্যার সমুহ Virtualization টেকনোজলির জন্য ব্যবহার করা হয়।

VirtualBox এ একটি নতুন মেশিন ক্রিয়েট করার জন্য প্রথমে আমাদের VirtualBox সফটওয়্যারটি ওপেন করতে হবে। যদি এই সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করা না থাকে সেক্ষেত্রে এই সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটাররে ইন্সটল করে নিতে হবে। কিভাবে VirtualBox Install করতে হয় তা জানতে এখানে ক্লিক করুন.


আপনারা যখন VirtualBox সফটওয়্যারটি ওপেন করবেন তখন আপনারদের সামনে উপরের চিত্রের মত একটি উইন্ডো আসবে। এখনে New নামের একটি আইকন দেখতে পাবেন। এখান থেকে আমারা নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে পারব। এখন আমরা স্টেপ বাই স্টেপ দেখব কিভবে একটি নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে হয়।

Step 01: নতুন একটি মেশিন ক্রিয়েট করার জন্য আমরা New তে ক্লিক করি। যখন আমরা New তে ক্লিক করব তখন নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো দেখতে পাব। এখানে আমরা একটি “Name” অপশন দেখতে পাচ্ছি। আমরা আমাদের মেশিনের যে নাম দিতে চাই সেটা এখানে টাইপ করে দিব।


আমরা যে অপারেটিং সিস্টেমটি ইন্সটল দেওয়ার জন্য মেশিন ক্রিয়েট করব এখানে সেই নাম দিব। তবে অন্য কোন নাম দিলেও কোন সমস্য হবে না। আমি এখানে (MikroTik-Client) নাম দিলাম।  এখানে একটি বিষয় হল, ডিফল্টভাবে এই মেশিনটি C Drive ইন্সটল হয়। যদি কারো C Drive এ যথেষ্ঠ জায়গা না থাকে তাহলে আমরা চাইলে এই লোকেশন চেঞ্জ করে দিতে পারি। তার জন্য Machine Folder থেকে আমাদের লোকেশনটা সিলেক্ট করে দিতে হবে। তারপর আমরা Next এ ক্লিক করব।

Step 02: এর পর আমাদের সামনে Memory size নামের একটি উইন্ডো আসবে যা নিচের চিত্রের মত। এখান থেকে আমরা আমাদের মেশিনটির জন্য প্রয়োজনিয় পরিমান Memory size নির্ধারণ করে দিতে পারি। এই মেমোরি হচ্ছে RAM। তারপর আমরা Next এ ক্লিক করব।


Step 03: এরপর আমাদের সামনে নিচের চিত্রের মত একটি উইন্ডো আসবে সেখান থেকে আমরা মার্কিং করা মাঝের অপশনটি (Create a virtual hard disk now) এখানে ক্লিক করব। তারপর Next এ ক্লিক করব।

Step 04: Next এ ক্লিক করার পর আমাদের সামনে নিচের চিত্রের মত “Hard disk file type” নামের একটি উইন্ডো আসবে। আমরা যখন একটি মেশিন ক্রিয়েট করি তখন VirtualBox তার জন্য একটি ফাইল তৈরি করে। VirtualBox সাধারণত তিন ধরণের ফাইল তৈরি করে থাকে। আমরা কোন ধরনের ফাইল নিতে চাচ্ছি সেটা এখান থেকে সিলেক্ট করে দিতে হবে। আমি উপরের (VDI) ফাইল টাইপ সিলেক্ট করে দিলোম আপনি চাইলে অন্যটাও দিতে পারেন। তারপর আমরা Next এ ক্লিক করব।


Step 05: এখন আমরা যে উইন্ডোটি দেখতে পাব তাহল (Storage on physical hard disk) আমরা জানি প্রতিটি OS Install হওয়ার জন্য একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ প্রয়োজন হয়, যাকে আমারা সধারণ hard disk বলে থাকি। এই স্টোরেজটি আমরা কিভাবে বরাদ্দ বা নির্ধারন করে দিব তা সিলেক্ট করে দিতে হবে। এটা আমরা দুই ভাবে করে দিতে পারি Dynamically or Fixed size এটা আমরা Dynamically করে দিব। তারপর Next এ ক্লিক করব।


Step 06: এবার আমাদের সামেনে নিচের চিত্রের মত (File location & size) নামের একটি উইন্ডো আসবে। এখান থেকেও আমরা চাইলে লোকেশনটি চেঞ্জ করে দিতে পারি এবং স্টোরেজ এর পরিমান নির্ধরন করে দিতে পারি। আমরা চাইলে পরবর্তিতে এই সমস্থ সেটিং আবারও চেঞ্জে করে দিতে পারব। তার পর আমরা Create এ ক্লিক করব।


Step 08: আমরা যখন Create এ ক্লিক করব তখন আমাদের মেশিনটি ক্রিয়েট হবে। VirtualBox এ আমারা যে নামের মেশিন ক্রিয়েট করেছিলাম সেই মেশিনটি এখানে দেখতে পাব। আমি এখান যে মেশিনটি ক্রিয়েট করলাম তার নাম দিয়েছেলাম “MikroTik-Client” । আপনার নিচের চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন এখানে “MikroTik-Client” নামের একটি মেশিন ক্রিয়েট হয়েছে।



 এভবেই VirtualBox এর ভিতরে একটি নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে হয়। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন কিভাবে VirtualBox একটি নতুন মেশিন ক্রিয়েট করতে হয়।

মাইক্রোটিক কি? মাইক্রোটিক রাউটার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

মাইক্রোটিক কি?

আমরা সচরাচর যে ভুলটি করে থাকি তা হলে মাইক্রোটিক বলতে মাইক্রোটিক রাউটারকে বুঝিয়ে থাকি। মাইক্রোটিক এবং মাইক্রোটিক রাউটার দুটি আলাদা একটি বিষয়। মাইক্রোটিক কোন রাউটার না একটি একটি কোম্পানির নাম। যারা সাধারণত নেটওয়ার্কিং প্রোডাক্ট তৈরি করে থাকে। এটি একটি লাটভিয়ান কোম্পানি যা লাটভিয়ার রিগা শহরে অবস্থিত। 1996 সাল থেকে এই কোম্পানি তাদের যাত্রা শুরু করে। মাইক্রোটিক কোম্পানি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় পাওয়ার কারণ হল তাদের রাউটর এর কারণে। তাদের রাউটর গুলি দাম কম এবং খুব ভালমানের হওয়ার কারণে সকলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

মাইক্রোটিক রাউটার

মাইক্রোটিক রাউটার হল মাইক্রোটিক কোম্পানি কৃতক তৈরিকৃত একটি রাউটার। বর্তমান সময়ে খুবই জনপ্রিয় একটি রাউটার হল মাইক্রোটিক রাউটার. এটি এত জনপ্রিয় হওয়ার করন হল, এর উইজার ইন্টারফেস। এটি খুব সহজেই কনিফিগার এবং ম্যানেজমেন্ট করা যায়। মাইক্রোটিক রাউটর এর সাহায়্যে নেটওয়ার্ক এর ব্যান্ডউইথ ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্টেশন এর কাজ ও করা যায়।

মাইক্রোটিক রাউটার এর সাহায়্যে আমরা যে সকল কাজসমুহ করতে পারি
  • DHCP Server হিসেবে কনফিগার করা যায়। যেভাবে সাধারণ ব্রডব্যান্ড Router কাজ করে।
  • নেটওয়ার্ক এর সব গুলি IP এর Bandwidth Control করা যায়। এমনকি কোন IP ছাড়াই বিভিন্ন সার্ভিস এর Bandwidth control করা যায়। যেমনঃ Mail Bandwidth, Ping bandwidth, Voice Bandwidth ইত্যাদি।
  • Web proxy হিসেবে কনফিগার করা যায়। Web proxy দিয়ে বিভিন্ন ওয়েব সাইট ব্লক করা যায়।
  • একাধিক ISP এর ইন্টারনেট connection একসাথে ব্যাবহার করার জন্য Load Balance/Bandwidth Marge করা যায়।
  • একই ISP এর একাধিক সংযোগ এর মধ্যে Auto Redundancy করা যায় (একটি ডাউন হলে অন্যটি অটোমেটিক আপ)।
  • PPPOE Server হিসেবে Configure করা যায়। যার মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড Dialer ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।
  • PPPOE Client হিসেবে configure করা যায়। যার মাধ্যমে BTCL ও অন্যান্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যাবহার করা সম্ভব।
  • নির্দিষ্ট কিছু মডেলের Mikrotik Router দিয়ে USB wimax modem, USB mobile modem এর ইন্টারনেট সার্ভিস পাওয়া সম্ভব।
  • VPN Server এবং VPN Client হিসেবে Configure করা যায়।
  • Advance firewall configure করা যায়।
বাজারে মাইক্রোটিক এর বিভিন্ন মডেলের রাউটিার রয়েছে। বর্তমানে তিন ধরণের মাইক্রোটিক রাউটার সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করা হয় যথ:-
  1. hEX Series
  2. RB Series
  3. CCR Series
hEX Series: আমরা প্রথমে যে মেডেলের রাউটার নিয়ে আলোচনা করব তা হল hEX Series. hEX Series এর রাউটর সমুহ সধারণত খুব অল্প পরিমানের ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে পারে। খূব ছোট নেটওয়ার্ক এর জন্য বা হোম ইউজারদের জন্য এই রাউটার সমুহ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই রাউটার গুলির দামও সাধারণত খুব কম হয়ে থাকে। বিভিন্ন মডেলের hEX Series এর রাউটর রয়েছে, যথা- hEX lite, hEX, hEX PoE lite, hEX PoE ইত্যাদি।

RB Series: এরপর যে মডেলের রাউটর নিয়ে আমরা আলোচনা করব তা হল RB Series। RB Series এর রাউটর সমুহ সাধারণত ছোট-খাট অরগানাইজেন বা অফিস এর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সাধারণত মিড রেঞ্জ এর অফিস এর জন্য RB Series ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন মডেলের RB Series রাউটার বাজারে পাওয়া যায়, যথা- RB2011iL-IN, RB2011iL-RM, RB2011UiAS-RM, RB1100AHx4.

CCR Series: সাধারণত বেশি পরিমানের ট্রাফিক নিয়ে কাজ করার জন্য ব্যবহার করা হয় CCR Series এর রাউটার। CCR Series এর রাউটার সমুহ অনেক বেশি পারিমানের ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে পারে। বড় ধরনের অফিস এর জন্য এই ধরনের রাউটার ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের রাউটার অনেক বেশি পারিমানের ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে পারে।

Router OS

প্রতিটি ডিভাইস পরিচালনার জন্য হার্ডওয়্যার এর পাশাপাশি প্রয়োজন হয় সফওয়্যার এর। ঠিক তেমনি মাইক্রোটিক রাউটার এর হার্ডওয়্যার এর জন্য প্রয়োজন হয় একটি OS বা অপারেটিং সিস্টেম এর। মাইক্রোটিক রাউটার OS হচ্ছে লিনাক্স কার্নেল ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম । মাইক্রোটিক রাউটার ওএস শুধুমাত্র x86 Architecture পাওয়া যায়। মাইক্রোটিক রাউটার OS এর একটি বড় ফিচার হল এই OS টি কোন পিসিতে ইন্সটল দিয়ে আমরা সেই পিসিকে সহজেই মাইক্রোটিক রাউটর এ পরিনত করতে পারি।

RouterBOARD

প্রতিটি ডিভাইস এর একটি সার্কিট বোর্ড থাকে। তেমটি মাইক্রোটিক রাউটারেরও একটি সার্কিট বোর্ড থাকে যাকে বলা হয় RouterBOARD। আমরা বাজার থেকে এই রাউটার বোর্ড সমুহ রেডি অবস্থার কিনতে পারি। একটি রাউটার বোর্ড এর ভিতর Router OS আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। সেজন্য আমাদের আর নতুন করে কোন OS ইনস্টল করাতে হয় না।

Router OS License

মাইক্রোটিক এর যে Router OS রযেছে তার একটি License রয়েছে। আমরা চাইলেই মাইক্রোটিক Router OS ডাউনলোড দিয়ে ইচ্ছামত ব্যবহার করতে পারব না। মাইক্রোটিক রাউটারে সাধারণত 6 ক্যাটাগরির লাইসেন্স পাওয়া যায়। এই License Level গুলি হল।
  1. License Level 0 (Trial mode)
  2. License Level 1 (Free Demo)
  3. License Level 3 (WISP CPE)
  4. License Level 4 (WISP)
  5. License Level 5 (WISP)
  6. License Level 6 (Controller)
আমরা যখন x86 Architecture এর Router OS কোন ডিভাইসে এ ইনস্টল করে ব্যবহার করি তখন তার লাইসেন্স লেভেল থাকে License Level 0 (Trial mode)। এই মোডে আমরা মাইক্রোটিক রাউটারকে 24 ঘন্টা পর্যন্ত ফ্রি ব্যবহার করতে পারব। এরপর আমরা আর এই রাউটারটিকে ব্যবহার করতে পারব না। এর পর যদি আমরা এটিকে ব্যবহার করতে চাই তাহলে তখন License Level 1 (Free Demo) বা অন্য কোন License Level নিতে হবে। আমরা কোন License Level টি ব্যবহার করব তা নির্ভর করবে আমারা কি কাজে সেটি ব্যবহার করছি তার উপর। নিচে মাইক্রোটিক এর License Level এর একটি গ্রফিক্যাল চিত্র দেখানো হল।



আমরা mikrotik.com এর ওযেব সাইটে একটি Account খুলে খব সহজেই License Level 1 (Free Demo) টি নিতে পারি। আমরা শুধু মাত্র তাদের সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুললেই তারা আমাদের এই সুবিধাটি দিবে।

Friday, April 19, 2019

VPN কি? যে জন্য ভিপিএন ব্যবহার করবেন

VPN কি

VPN হল ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। VPN এর মাধ্যমে আপনি একটা ভার্চুয়াল লোকেশন ব্যবহার করে বিশ্বের যে কোন ওয়েব সাইট ব্রাউজ করতে পারেন। কি জনাব বিষয়টা বুঝলেন না? তাহলে পড়তে থাকুন এই পোস্টের বাকি অংশটুকু। কোন এক জায়গায় বিষয়টা ক্লিয়ার করে বোঝানো হয়েছে। দেখুন তো খুঁজে পান কি না?


আজকের পোস্টে আমি আপনাদের বলব ভিপিএন ব্যবহার করার যে ৫টি কারণ আপনার অনেক আগেই জানা উচিত ছিল ও কম্পিউটার সিকিউরিটি নিয়ে। ইতোপূর্বে অনেকে হয়ত ভিপিএন (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) নামের এই টুলটি ইন্টারনেট ও সিকিউরিটি এর জন্য ব্যবহার করে থাকবেন। এমন অনেক পরিস্থিতি পড়ে যায় যখন আপনার ভিপিএন ব্যবহার করাটা জরুরি হয়ে পড়ে। আপনাদের আজকে সেই ৫টি অস্থির সিচুয়েশন এর ব্যাপারে বলব যখন কি না ভিপিএন ব্যবহার করা উত্তম বলে আমি মনে করি। নারে ভাই, শুধু আমি না, বাঁকি সবাই ই মনে করেন।

আইপি ট্র্যাকিং প্রতিরোধ:

সবচেয়ে বড় কার্যকরী উপকারিতা হল VPN আপনাকে যথেষ্ট পরিমাণ প্রাইভেসি দেবে। যখন আপনি কোন ভিপিএন এর সাথে কানেক্টেড থাকবেন তখন ওয়েব সাইট গুলো  আপনার আসল আইপি এড্রেস দেখতে পাবে না। তারা শুধু ভিপিএন এর আইপি এড্রেস দেখতে পারবে। যেহেতু অনেকেই এই সার্ভার ব্যবহার করে থাকে সেহেতু আপনাকে আলাদা ভাবে খুঁজে পাওয়া একটু কঠিনই বটে। সার্চ ইঞ্জিন ও অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলো আপনার কাজগুলো ট্র্যাক করতে পারবে না। আপনি যদি কোন স্কুল বা অফিসের নেটওয়ার্কও ব্যবহার করেন তবুও তারা আপনার ওপর নজর রাখতে পারবে না।

পাবলিক WiFi ব্যবহারে VPN:

আরেকটি পরিস্থিতে ভিপিএন ব্যবহারের জন্য আমি অবশ্যই বলব আর সেটি হল পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারে। ওপেন পাবলিক ওয়াইফাই হটস্পট হল সেই হটস্পট যেটাতে ওয়াইফাই কানেক্ট করার জন্য কোন পাসওয়ার্ড চাওয়া হয় না। এমনকি এটি আপনার ডিভাইস ও হটস্পটে ডাটা আদান প্রদানে কোন রকম বাঁধা দেয় না। তার মানে আপনার তথ্য হ্যাকও হতে পারে যদি ফ্রি ওয়াইফাই জোন ব্যববহার করেন। আপনি যদি ফ্রি ওয়াইফাই জোনে যদি নিরাপদ থাকতে চান তাহলে আপনার জন্য অবশ্যই ভিপিএন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
যতক্ষণ না আপনি https প্রটোকল যুক্ত ওয়েব সাইট ব্যবহার না করছেন ততক্ষণ আপনি অনেকটা হুমকির মাঝেই থাকবেন ফ্রি ওয়াই জোনে। আর এর মাধ্যমে আপনি আপনার অজান্তেই সকলকে অনুমতিও দিচ্ছেন আপনার তথ্য গুলো জানার জন্য। কিন্তু যখন আপনি একটি ভিপিএন এর সাথে যুক্ত হবেন তখন প্রত্যেকবার কম্পিউটারর থেকে ডাটা যাওয়ার সময় ভিপিএন দ্বারা সেটি ইনক্রিপ্ট করা হবে। তাই ভিপিএন ব্যবহার করলে এটা আপনার মাথা ব্যাথার প্রশ্ন হবে না যে সেটা ওপেন পাবলিক ওয়াইফাই নাকি না! কারণ কানেকশনটি সুরক্ষিত আছে। শুধু কম্পিউটার না চাইলে আপনি আপনার স্মার্টফোনেও ভিপিএন ব্যবহার করতে পারবেন।

বাইপাস স্কুল/অফিস ওয়েব ফিল্টার:

আপনার ভিপিএন আপনাকে স্কুল অথবা অফিস সমূহের ওয়েব ফিল্টার বাইপাস করতে সাহায্য করবে। আমি আপনাকে আপনার সময় অপচয় করতে বলছি না এর জন্য। কিন্তু ভেবে দেখুন, যখন আপনি কোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে যাবেন তখন যদি সেটা ব্লক করা দেখতে পান, কেমন লাগবে ? ব্যাপারটা খুব বেশি ভালো লাগার কথা না। ধরুন আপনার পিসিতে ইউটিউব ওয়েব সাইট ব্লক করা আছে। কিন্তু ইউটিউবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টিউটোরিয়াল আপনার দেখা প্রয়োজন। সে সময় যদি সাইট ভিজিট করতে গিয়ে দেখতে পান যে সাইটটি ব্লক তখন কি করবেন? খুব বেশি কিছু করতে হবে না, আপনি আপনার ভিপিএন কানেক্ট করুন তারপর ব্রাউজ করুন দেখবেন খুব সহজেই আপনি ইউটিউব সাইটে চলে গিয়েছেন। 

আইএসপি থ্রোটলিং অ্যাড়াতে:

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) থেকে যদি আপনি থ্রোটলিং হতে থাকেন তবে আপনার অবশ্যই ভিপিএন প্রয়োজন।  সকল আইএসপি এমন না করলেও কিছু কিছু আইএসপি আপনার ইন্টারনেট জগতকে ছোট করে দেয়। আপনি যখন ভিপিএন ব্যবহার করবেন তখন আপনার আইএসপি আপনাকে থ্রোট করতে পারবে না। মানে বিষয়টা হল আপনাকে যে কোম্পানি ইন্টারনেট কানেকশন দিয়েছে তারা অনেক ওয়েব সাইট ব্লক করে রাখে। সাধারণত আপনি ঐসকল ওয়েব সাইট ভিজিট করতে পারেন না। কিন্তু চাইলেই ভিপিএন কানেক্ট করে আরামসে সব কিছু ভিজিট করতে পারবেন।  আর এভাবে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো হবে আশা করা যায়।

বিভিন্ন দেশের ব্লক ওয়েব সাইট ভিজিট:

অনেক সময় এক দেশের ওয়েব সাইট অন্য দেশে ব্লক থাকে। ধরুন আপনি এখন বাংলাদেশে আছেন কিন্তু বাংলা আমেরিকার একটি সাইট ব্লক করা আছে। এখন যদি আপনি উক্ত সাইট ভিজিট করতে চান তাহলে আপনাকে আমেরিকা যেতে হবে। কিন্তু আপনি যদি ভিপিএন ব্যবহারকারী হল তাহলে বাংলাদেশে বসেই আমেরিকার ভার্চুয়াল লোকেশন ব্যবহার করে ঐ সাইটটি ভিজিট করতে পারেন। আবার আমাদের দেশে মাঝে মাঝে ফেসবুক ব্লক করে দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে আপনি ভিপিএন এর মাধ্যমে আমেরিকা গিয়ে ফেসবুক চালাতে পারবেন বাংলাদেশে বসে থেকেই। কি মজা তাই না?

সব থেকে ভালো ভিপিএন:

আপনি যদি গুগল এ সার্চ দিয়ে দেখেন তাহলে অনেক ভিপিএন এর নাম দেখতে পাবেন। তবে এসকল ভিপিএন এর মাঝে আমি Hotspot Sheild (ক্রোম এক্সটেনশন) কিংবা NordVPN  (ক্রোম এক্সটেনশন) ব্যবহারের পরামর্শ দেব। নর্ডভিপিএন এর কিছু অত্যাধুনিক ফিচার আছে। তাহছাড়া এদের অপশন গুলো অনেকটা ফ্রেন্ডলি হওয়ায় এটা ব্যবহার বা অপারেট করতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। এদের মাঝে ডাবল ভিপিএন সার্ভার আছে যেটা আমার অনেকটা ভালোও লেগেছে। এটা ব্যবহার করা অনেক সহজও। তাছাড়া এই ভিপিএন কম্পিউটারের পাশাপাশি স্মার্টফোনেও ব্যবহার করা যায়। স্মার্টফোনের ভিপিএন এর অপশনগুলোও অনেকটা কম্পিউটার ভিপিএন এর মতোই।
সর্বোপরি সচেতন হয়ে নেট ব্রাউজ করুন। হ্যাকারদের থেকে সাবধান থাকুন আর ভিপিএন ব্যবহার করে নিজের সিকিউরিটি নিশ্চিত করুন।

Kali Linux কি? এর উৎপত্তি এবং কাজ কি?

কালি লিনাক্স! নাম শুনতেই কেমন একটি ভয় ভয় ভাব। আজকে আমরা Kali Linux কি, এর কি ভাবে এর উৎপত্তি হয়েছে এবং এর কাজ কি সে সম্পর্কে জানব।

Kali Linux কি?

Kali Linux একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন যা ডেবিয়ানে গঠিত। এটিতে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় টুল বিল্টইন দেওয়া থাকে। এই টুল গুলো দিয়ে পেমেন্টেশন টেস্টিং, সিকিউরিটি রিসার্চ, কম্পিউটার ফরেন্সিকস এবং রিভারস ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি পরিচালনা করা সম্ভব। Offensive Security নামের একটি কোম্পানী কলি লিনাক্স ডেভেলপ করে। প্রকৃতপক্ষে, কালি লিনাক্স ব্যাকট্রেক লিনাক্সের একটি উন্নত সংস্করণ। যেখানে পূর্বের চাইতে আরও বেশি টুল যুক্ত করা হয়েছে। যার কারনে সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট ও হ্যাকারদের মধ্যে এই অপারেটিং সিস্টেম খুবই জনপ্রিয়।

কালি লিনাক্সের উৎপত্তি কিভাবে?

সর্বপ্রথম ব্যাকট্রেক নামে একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টদের জন্য ডেভেলপ করা হয়। পরবর্তিতে ব্যাকট্রেক ২, ব্যাকট্রেক ৩, ব্যাকট্রেক ৪ এবং ব্যাকট্রেক ৫ নামে এর আরও কয়েক টি ভার্সন অবমুক্ত হয়। যার সর্বশেষ ভার্সন হল কালি লিনাক্স। Kali Linux এর সর্বশেষ সংস্করণ হল Kali 2017.2, যেটি ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তে অবমুক্ত করা হয়।

1991 সালে প্রথম লিনাস টরভাল্ড নামের এক ব্যক্তি লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কার্নেলটি তৈরি করা হয়েছিল। লিনাক্স শুরু থেকেই একটি মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম। বর্তমানে লিনাক্স মেনফ্রেম কম্পিউটার এবং বড় বড় সার্ভারে ব্যবহৃত একটি বহুল পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম।

কালি লিন্যাক্স একটি ডেবিয়ান লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন যা মূলত ডিজিটাল ফরেনসিক এবং পেনিট্রেশন টেস্টিংয়ের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। Offensive Security Ltd এটা তৈরি করেছে। ৩০০ টিরও বেশি পেনিট্রেশন টেস্টিং এর সফটওয়্যার এটিতে প্রি ইন্সটল থাকে। কালি লিনাক্সের আগে ব্যাকট্র্যাক নামে একটি ডিস্ট্রো ছিল, যা মাতি আহরণী এবং ডেভন কয়ার্নসের তৈরি ছিল। ডেবিনিয়ার বিশেষজ্ঞ রফেল হার্টজোগ তাদের সাথে যোগদান করার পর তারা ব্যাক ট্র্যাক প্রোজেক্ট বন্ধ করে এবং Offensive Security Ltd নামে একটি কোম্পানী গঠনের মাধ্যমে কালি লিনাক্স প্রোজেক্টের সুচনা করে। বর্তমানে মোবাইল ফোন, ট্যাব, স্মার্ট টেলিভিশন, রোবট, রিমোট কন্ট্রোলার এবং অন্যান্য পেরিফেরাল ডিভাইসে লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করা হয়।

কালি লিনাক্সের কিছু বৈশিষ্ট্য:

  1. Kali Linux ওয়েবসাইটে ৬০০ টিরও বেশি টুল রয়েছে, কিন্তু অধিকাংশই কালি লিনাক্স ছাড়া কাজ করে না।
  2. কালি লিনাক্সের মত তার টুল গুলোকে ও বিনামূল্যে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
  3. কালি লিনাক্স সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তনযোগ্য। এর কার্নেল খুব সহজে পরিবর্তন করা যায়।
  4. এটি ARM ভিত্তিক হার্ডওয়্যারেও (যেমনঃ রাস্পবেরি পাই) পরিচালনা করা যায়।

কালি লিনাক্সের কাজ:

হাজার হাজার সাইট মুছে যেতে পারে, সার্ভার ডাউন হয়ে যেতে পারে, অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানির আয় বন্ধ করতে পারে শুধু মাত্র কালি লিন্যাক্সের একটি আদেশে। চলুন দেখা যাক আমরা কালি লিনাক্স দিয়ে কি কি করতে পারি:
  1. ওয়েবসাইট হ্যাক করা।
  2. সার্ভার থেকে তথ্য হাইজ্যাক করা।
  3. ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত যেকোনো জিনিস অ্যাক্সেস করা।
  4. পেনিট্রেশন টেস্টিং করা।
  5. ওয়েবসাইটে ত্রুটি খোঁজা।
এটির ব্যবহারবিধি অন্যান্য লিনাক্সের মত নয়। এটিতে রুট নামে শুধুমাত্র একটি ব্যবহারকারী রাখা হয়েছে। অপারেটিং সিস্টেমটি সকলের বোধগম্য নয়। টার্মিনালের মাধ্যমে এটিতে কমান্ড দিতে হয়। এটি পেনিট্রেশন টেস্টার, সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট এবং হ্যাকারদের প্রথম পছন্দ। সাধারন ব্যবহারকারী, গেমার এবং ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য একটি আদর্শ প্ল্যাটফর্ম নয়।

Tuesday, April 16, 2019

সিসকো বেসিক রাউটার কনিফিগারেশন

সিসকো মোড কনফিগারেশন পদ্ধতি: সিসকো রাউটার এ সাধারণত ৪টি মোড থাকে। আমরা যখন সিসকো রাউটার কনফিগার করব তখন তা চারটি মোড থেকে কনফিগার করতে পারি।
  • EXE mode
  • Privilege mode
  • Global configuration mode
  • Interface mode
EXE mode: সিসকো রাউটার সমূহের ইউজার EXE মোড হলো স্বাভাবিক অপারেশন মোড। সিসকো ডিভাইস চালু হওয়ার পর আইওএস লোড হয় এবং EXE মোড এ আসে। EXE মোড এর সিম্বল হলো “>”.


 
Privilege mode: সিসকো রাউটার সমূহের এডভান্সড অপারেশন মোড হলো Privilege mode। Privilege mode এর সিম্বল হলো “#” আমাদের EXE মোড হতে Privilege Mode এ আসার জন্য EXE Mode en টাইপ করতে হয়।
 
Global Configuration mode: গ্লোবাল কনফিগারেশন মোড হলো সেই অপারেশন যেখানে কোনো কনফিগারেশন কমান্ড দেওয়া হলে তা পুরো ডিভাইসে কাজ করে। তবে গ্লোবাল কনফিগারেশন মোডে যেতে হলে EXE Mode থেকে প্রিভিলাইজড মোডে যেতে হবে এবং এর পর টাইপ করতে হবে configure terminal। তাহলে গ্লোবাল কনফিগারেশন মোডে যেতে পারবেন।
 
Interface mode: সিসকো ডিভাইসের নির্দিষ্ট কোন ইন্টারফেইসকে কনফিগার করার জন্য Interface mode মোডে যেতে হয়। Interface mode যাওয়ার জন্য আমদের Global Config Mode এ যেতে হবে। এর পর টাইপ করতে হবে প্রথমে interface তারপর ইন্টারফেসের নাম যেমন FastEthernet, GigaEthernet, Serial etc। এরপর ইন্টারফেস নাম্বার যেমন 0/0, 0/1, 0/1/1.
 এতক্ষনে আমরা রাউটারের বিভিন্ন মোড নিয়ে আলোচনা করলাম। এবার দেখি কিভাবে একটি রাউটারের কোন একটি ইন্টাফেস কনফিগার করতে হয় এবং  আইপি অ্যাড্রেস  ইমপ্লিমেন্ট করতে হয়। আমরা যখন কোন একটি নতুন রাউটার চালু করব তখন ডিফল্ট ভাবে তার প্রত্যেকটি ইন্টারফেস অফ থাকে । এই প্রতিটি ইন্টারফেসকে কনফিগার করে অন করতে হয় । চলুন দেখি কিভাবে একটি রাউটারের ইন্টারফেসকে কনফিগার করতে হয়। আমরা রাউটারের Global Configuration Mode এ যাই। Global Configuration Mode এ যাওয়ার পর আমরা যে ইন্টারফেসটিকে অন করতে চাই সেই ইন্টারফেটিকে সিলেক্ট করি । এবার আমরা যে কমান্ড লাইন এর মাধ্যমে এই ইন্টারফেসটিতে আইপি অ্যাড্রেস কনফিগার করব তা হল Router(config-if)#ip address 192.168.30.1 255.255.255.0 । এখানে Ip address কমান্ডএর পরে রয়েছে আইপি অ্ড্রেস এবং এর পরে রয়েছে সানেট মাক্স । এবার no shut ( Router(config-if)#no shut ) কমান্ড এর মাধ্যমে রাউটার এর ইন্টারফেসটিকে আপ করি।
আমরা একটি Router 1 নামের একটি রাউটার নিলাম। যার দুটি ইথারনেট ইন্টারফেস Fa 0/0 ও Fa 0/1 রয়েছে । আমরা প্রথমে ইন্টাফেস Fa 0/1 কে কনফিগার করব । নিচে তার কমানসমুহ দেওয়া হল।

Router>en
Router#configure terminal
Enter configuration commands, one per line. End with CNTL/Z.
Router(config)#interface fastEthernet 0/0
Router(config-if)#ip address 192.168.1.1 255.255.255.0
Router(config-if)#no shut
 
আমরা উপরের চিত্রটিতে লক্ষ করি, যখন কোন রাউটারের ইনটারফেস ডাউন থাকে তখন সেটা লাল হয়ে থাকে আর যেই ইনটারফেস আপ থাকে সেটা গ্রিন থাকে। আপনি যখন এভাবে কমান্ড লিখবেন তখন দেখবেন ঐ ই্ন্টাফেসটি গ্রিন হয়ে যাবে। একটি বিষয় বলে রাখি যে রাউটারের কোন ইন্টারফেসকে অন করার জন্য ঐ ইন্টফেসটিকে সিলেক্ট করে যাষ্ট no shut কমান্ডটি ব্যবহার করলে ঐ ইন্টাফেসটি অন হবে তার জন্য ইন্টারফেসে আইপি অ্যাড্রেস দেওয়ার প্রয়োজন পরে না । কিন্তু ডাটা প্যাকেট রাউটিং এর জন্য অবশ্যই আইপি অ্যাড্রেস এর প্রয়োজন। এবার আমরা ইন্টারফেস Fa 0/1 কনফিগার করব । নিচে তার কমান্ড লাইন দেওয়া হল ।
Router>en
Router#conf t
Enter configuration commands, one per line. End with CNTL/Z.
Router(config)#int
Router(config)#interface fa
Router(config)#interface fastEthernet 0/1
Router(config-if)#ip add
Router(config-if)#ip address 192.168.2.1 255.255.255.0
Router(config-if)#no shut
 
এবার যদি আমরা পিসিতে আইপি অ্যাড্রেস কনফিগার করি তাহলে সহজে এই দুটি কমপিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে । এভাবে রাউটারের ইনটারফেস সমুহকে কনফিগার করা হয় ।

উল্লেখযে এখানে যে সকল ইমেজ এবং কনফিগারেশন দেখানো হয়েছে তা Cisco Packet Thacher সফটওয়্যার ব্যবহার করে করা হয়েছে 

Tuesday, April 9, 2019

রাউটিং কি? রাউটিং কত প্রকার ও কি কি

নেটওয়ার্ক রাউটার এবং রাউট কী

রাউটার হলো এমন একটি ডিভাইস যা লেয়ার ৩ এ কাজ করে এবং রাউটিং প্রোটকল ইউজ করে ডাটা পাকেটকে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ট্রান্সমিট করে । আর নেটওয়ার্ক রাউট হলো এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্যাকেট পাঠানোর যে পথ সেটিই নেটওয়ার্ক রাউট।

 বেসিক রাউটার ব্লক ডায়াগ্রাম:

  • ্যাম:  র‌্যাম ব্যবহার করা হয় রাউটিং টেবিল এর তথ্য এবং রানিং কনফিগারেশন এর ফাইল জমা রাখার জন্য।
  • ফ্লাশ মেমরিফ্লাশ মেমরি ব্যবহার করা হয় অপারেটিং সিস্টেম জমা রাখার জন্য।
  • এনভির্যামএনভির‌্যাম ব্যবহার করা হয় স্টার্টআপ ফাইল জমা রাখার জন্য। 
  • প্রসেসর: ডাটাসমুহকে প্রসেস করার জন্য প্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

Routing Protocol

রাউটিং প্রোটকল হল কিছু নিয়মনীতির সমন্বয়। রাউটার এর মাধ্যমে যখন ডাটা এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্ক এ ডাটা ট্রান্সমিট হয় তখন কিছু নিয়ম বা রুলস মেনে ডাটাকে এক নেটওয়ার্ক থের্কে আর এক নেটওয়ার্ক এ ট্রান্সমিট হতে হয় । এই নিয়মনীতি সমুহকে বলাহয় রাউটিং প্রোটকল। রাউটিং প্রোটকল ‍সফটওয়্যার ও রাউটিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডাটা ট্রান্সমিট এর জন্য অনুকুল পথ নির্ধারন ও পাকেট ট্রান্সমিট করে থাকে।

আমরা যদি আরো সহজ ভাবে বলি । রাউটিংয়ের প্রোটোকল হল সেই প্রোটোকল যা রাউটার দ্বারা একে অপরের মধ্যে তাদের রাউটিং টেবিলের বিনিময়ে ব্যবহৃত হয়। এভাবে প্রত্যেকটি রাউটার তাদের রাউটিং টেবিল তাদের নেবার বা প্রতিবেশি রাউটারের কাছে শেয়ার করে । ফলে প্রতিটি রাউটারের কাছে তাদের রাউটিং টেবিলে প্রতিটি নেটওয়ার্ক এ যাওয়ার জন্য একটি বা একাধিক পথ সংরক্ষন করা থাকে। কয়েক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটকল রয়েছে যেমনঃ- RIP, EIGRP, OSPF and BGP।

রাউটিং প্রোটকল ফাংশন

রাউটিং প্রোটকল নিন্মলিখিত এই ফাংশন গুলি সম্পদন করে থাকে
  • রাউটার নেটওয়ার্কে উপস্থিত অন্যান্য প্রতিবেশী রাউটার থেকে আইপি সাবনেট সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে।
  • নেটওয়ার্কে প্রতিটি রাউটার আইপি সাবনেট সম্পর্কিত তথ্য অন্যান্য প্রতিবেশী রাউটারের রাউটিং তথ্য এডভ্যাটাইজ/শেয়ার করে। নেটওয়ার্কে কতটি সাবনেট আছে, প্রতিটি সাবনেটে যাওয়ার জন্য কি কি রুট আছে ইত্যাদি তথ্য এডভ্যাটাইজ করে ।
  • যদি রাউটার দেখে যে তার গ্রন্তব্য সাবনেটে পৌঁছানোর জন্য একাধিক রুট রয়েছে, তাহলে রাউটারটি মেট্রিক ক্যালকুলেশন এর উপর ভিত্তি করে সর্বোত্তম রুটটি বেছে নেয়। (মেট্রিকটি হতে পারে HOP COUNT, BANDWIDTH, COBINATION OF BANDWIDTH and DELAY) ।
  • যদি নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি পরিবর্তন ঘটে থাকে, যাকে বলে নেটওয়ার্ক কনভাজেন্স, উদাহরণস্বরূপ যদি একটি নতুন সাবনেট নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় বা নেটওয়ার্কে বিদ্যমান একটি সাবনেট ডাউন হয়ে যায় তবে রাউটারগুলি অবিলম্বে পরিবর্তনের সাথে প্রতিক্রিয়া জানাবে যেমন নতুন যোগ করা বা ডাউন হওয়া সাবনেট সম্পর্কিত তথ্য রাউটার সকল নেবার বা প্রতিবেশি রাউটারের কাছে এডভ্যাটাইজ করে ।

INTERIOR And EXTERIOR Routing Protocol

রাউটিং প্রোটকলকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
  1. INTERIOR Gateway Routing Protocol (IGP)
  2. EXTERIOR Gateway Routing Protocol (EGP)

INTERIOR Gateway Routing Protocol (IGP)

ইন্টেরিয়র গেটওয়ে রাউটিং প্রোটকল হল এমন একটি প্রোটকল যা একটি সিংগেল Autonomous System এর মধ্যে অবস্থান করে । Autonomous System বা সংক্ষেপে AS বলতে এমন একটি রাউটিং এরিয়া বা ডোমেইনকে বুঝায় যেখানে একাধিক রাউটার একই রাউটিং পলিসি বা মালিকানার অধীণে থাকে ।অনেক গুলি রাউটার বা গ্রুপ অফ রাউটার যারা  একজন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কন্টোল এর আন্ডারে থাকে তাকে বলে একটি সিঙ্গেল Autonomous System অথবা  এভাবে বলতে পারি যে একটি  গ্রুপ অফ রাউটার যখন তারা সবাই একই রাউটিং প্রোটকল ব্যবহার করে। সুতরাং একটি সিঙ্গেল অটোনামা সিস্টেম এর মধ্যে যে সকল রাউটিং প্রোটকল কাজ করে তাদেরকে বলা হয় IGP।  উদাহরণ সরুপ RIP, EIGRP, OSPF

EXTERIOR Gateway Routing Protocol (EGP)

ভিন্ন ভিন্ন অটোনামা সিস্টেম এর মধ্যে যে সকল রাউটিং প্রোটকল রান করে তাদের বলা হয় EXTERIOR Gateway Routing Protocol বা EGP। অলাদা আলাদা দুই বা ততোধিক অটোনামা সিস্টেম এর মধ্যে ডাটা রাউটিং করার জন্য যে প্রোটকল সমুহ ইউজ করা হয় তাদের বলা হয় EGP বা EXTERIOR Gateway Routing Protocol ।
সাধারণত তিন ধরনের রাউট হয়ে থাকে:
  • স্ট্যাটিক রাউট (Static Route)
  • ডাইনামিক রাউট (Dynamic Route)
  • ডিফল্ট রাউট (Default Route)

স্ট্যাটিক রাউট (Static Route)

স্টাটিক রাউট এর ক্ষেত্রে রাউটিং রুট ম্যানুয়ালি ডিফাইন করে দিতে হয়।কোন কারণে যদি এই রাউটিং এ যদি রাউট পরিবর্তন ঘটে তাহলে ম্যানুয়ালি তা আপডেট করতে হয়। ছোট নেটওয়াকের্র ক্ষেত্রে স্ট্যাটিক রাউট ব্যবহিত হয়ে থাকে।

ডাইনামিক রাউট (Dynamic Route)

ডাইনামিক রাউট হলো সে সব রাউট যা সময়ের সাথে সাথে আপনা আপনি রাউটিং টেবিলের পরিবর্তন ঘটে। ফলে ম্যানুয়ালি কিছু করার প্রয়োজন হয় না। যেকোন রাউট পরিবর্তন হলে সেটি অটোমেটিক্যালি রাউটিং টেবিল এ যোগ হয়। যেমন: RIP, EIGRP, OSPF

ডিফল্ট রাউট (Default Route)

কোন গন্তব্যের জন্য রাউট নির্ধারণ করে না দেয়া থাকলে রাউটার ডিফল্ট হিসেবে যে পথ বেছে নেবে সেটিই হলো ডিফল্ট রাউট।
এছাড়াও আরো তিন ধরনের রাউটিং প্রোটকল রয়েছে, যথা-
  • ডিস্টেন্স ভেক্টর রাউটিং প্রটোকল (Distance Vector Routing Protocol)
  • লিংক স্টেট রাউটিং প্রটোকল (Link state  Routing Protocol)
  • ব্যালেন্সড হাইব্রিড প্রোটকল (Balanced Hybrid Protocol)

ডিস্টেন্স ভেক্টর রাউটিং প্রটোকল (Distance Vector Routing Protocol):

Distanceমানে হচ্ছে দূরত্ব এবং Vector  মানে হচ্ছে পথ। Distance Vector রাউটিং  এক নেটওয়ার্ক থেকে ডেস্টিনেশন নেটওয়ার্ক এর দুরত্ব কত  এর উপর ভিত্তি করে রুট নির্ধারন করে থাকে । সুতরাং Distance Vector রাউটিং প্রটোকল এমন একটি রাউটিং প্রোটকল যা  HOP Count এর ভিত্তিতে কাজ করে। একটি নেটওয়ার্ক থেকে আর একটি নেটওয়ার্ক এ পৌছানোর জন্য তাকে কতগুলি রাউটিার আতিক্রম করতে  হয় । এই প্রতিটি রাউটারকে বলা হয় একটি করে HOP । ডিস্টেন্স ভেক্টর রাউটিং প্রটোকল যখন কোন রাউটারে রান করে সে যদি কোন ডেস্টিনেশনে ডাটা পাকেট পাঠায় তখন যে পথে সে সবচেয়ে কম HOP/Router পায় সেই পথে সে ডাটাপাকেট পাঠায়। উদাহরণ : RIP, IGRP.

লিংক স্টেট রাউটিং প্রটোকল (Link state  Routing Protocol)

লিংক স্টেট রাউটিং প্রটোকল রাউটিং প্রোটকল হল এমন একটি প্রেটিকল যা নেটওয়ার্ক এর লিংক এর Cost এর উপর ভিত্তি করে রাউটিং রুট নির্ধরন করে থাকে। Link State রাউটিং প্রটোকলসমূহ Shortest Path First (SPF) এ্যালগরিদমের মাধ্যমে রাউট ক্যালকুলেশন করে থাকে। এই SPF এ্যালগরিদমটি Edsger Dijkstra নামক একজন ব্যাক্তি লিখেছিলেন। এজন্য SPF কে Dijkstra’s Algorithm (ডাইজ্কস্ট্রা’স এ্যালগরিদম) ও বলা হয়। এই এ্যালগরিদমের মাধ্যমে একটি সোর্স নেটওয়ার্ক থেকে কোন একটি ডেস্টিনেশন নেটওয়ার্কে যাওয়ার সম্ভাব্য প্রতিটি পাথকে Cost সহ হিসেব করা হয়। এই কষ্ট নির্ধরণের একটি সূত্র আছে তা হল  Cost=(108/Bangdwidth). উদাহণ: OSPF।

ব্যালেন্সড হাইব্রিড প্রোটকল (Balanced Hybrid Protocol)

যে রাউটিং প্রোটকল ডিস্টেন্স ভেক্টর রাউটিং প্রেটকল ও লিংক স্টেট রাউটিং প্রেটকল এর সমন্বেয়ে গঠিত তাকে বলা হয় ব্যালেন্সেড হাইব্রিড প্রোটকল বলা হয়। ব্যালেন্সেড হাইব্রিড প্রোটকলে ডিস্টেন্স ভেক্টর রাউটিং প্রেটকল ও লিংক স্টেট রাউটিং প্রেটকলের বৈশিষ্ট বিদ্যমান থাকে। উদাহরণ: EIGRP